ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

উইকেট নিয়ে সাকিবের কণ্ঠেও স্তুতি

মিরপুরের উইকেট মানেই সেটা টার্নিং ও ধীরগতির। এখানে ব্যাটারদের তেমন কিছুই করার থাকে না। বিপিএলের প্রতি আসরে মিরপুরের উইকেট নিয়ে তাই সমালোচনার ঝড় ওঠে। কিন্তু এবার ব্যতিক্রম। শৈত্যপ্রবাহের কারণে প্রথম দুই দিনের প্রথম ম্যাচে স্লো স্কোরিং হয়েছে। বাকি ম্যাচগুলোতে সময় যত গড়িয়েছে রানের বন্যাও বয়েছে। এমন উইকেটে খেলতে পেরে দারুণ উচ্ছ্বসিত ক্রিকেটাররা। সিলেট স্ট্রাইকার্সের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার পর ফরচুন বরিশালের অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের কণ্ঠেও মিরপুরের উইকেট নিয়ে স্তুতি শোনা গেলো। পাশাপাশি তরুণ ব্যাটারদেরও প্রশংসায় ভাসিয়েছেন তিনি।

বুধবার এক অনুষ্ঠানে সাকিব কিউরেটরদের ধন্যবাদ দিয়ে বলেছেন, ‘এ বছর পিচটা অনেক ভালো। মিরপুরে খুবই আনএক্সপেক্টেড যে এত ভালো পিচ পাই। সো কিউরেটরকে ক্রেডিট দিতেই হয়, সে কারণে এত বেশি রান হচ্ছে এবং মাঠের খেলাটাও অনেক বেশি ভালো হচ্ছে, এক্সসাইটিং হচ্ছে।’

অন্য আসরগুলোর তুলনায় মিরপুরে স্থানীয় ব্যাটাররা তুলনামূলক ভালো করছে। সিলেটের তিন ব্যাটার নাজমুল হোসেন শান্ত, জাকির হাসান ও তৌহিদ হৃদয় তাদের মধ্যে অন্যতম। প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং না পাওয়া তৌহিদ তিন ম্যাচেই টানা হাফসেঞ্চুরি করেছেন। ৬৬ গড় ও ১৬৬ স্ট্রাইক রেটে তার রান ১৯৫! সিলেটের চার জয়ের তিনটিতেই নায়ক এই ব‌্যাটসম‌্যান। তাছাড়া জাকির ব‌্যাটিং করছেন ১৭৫ স্ট্রাইক রেটে। তার ইনিংসগুলো হচ্ছে ২১ বলে ২৭, ১০ বলে ২০, ১৮ বলে ৪৩। শান্তও ওপেনিংয়ে নেমে ৪৩, ৪৮, ১৯ ও ৫৭ রান করেছেন। এছাড়া কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সে খেলা জাকের আলী অনিক এক ম‌্যাচে ৪৩ বলে ৫৭ রান তুলে নিজের সামর্থ‌্যের জানান দিয়েছেন।

উইকেট ভালো হওয়ার কারণে ভালো মানের উইকেট পাওয়ায় তরুণরা শট খেলতে আত্মবিশ্বাসী হচ্ছেন বলে মনে করেন সাকিব, ‘অনেকেই ভালো খেলছে, ধারাবাহিকভাবে আপনি যদি দেখেন শান্ত, জাকির, হৃদয় খুবই ভালো খেলছে এবং অন্যান্য দলের খেলোয়াড়রাও ভালো করছে, সব থেকে ভালো দিক হচ্ছে স্থানীয় ব্যাটাররা এবার ভালো রান করছে, যেটা আমাদের জন্য খুবই ইতিবাচক একটা দিক। অনেক ক্রেডিট দিতে হয় পিচকে, কারণ পিচগুলো ভালো পাওয়া যাচ্ছে। আমার মনে হয় এ কারণে দেশীয় ব্যাটারদের রান করার সুযোগটা বাড়ছে এবং তারা সেটাকে ক্যাপিটালাইজ করছে। আগে ৩০-৪০ হতো এখন ৭০ হচ্ছে, এরপর এটাও শিখে যাবে কীভাবে ১০০ করতে হয়।’

সাকিব অবশ্য হতাশ স্থানীয় বোলারদের নিয়ে। মিরপুরে বাংলাদেশি কোন বোলারই আহামরি পারফরম্যান্স করতে পারেননি। সাকিব মনে করেন, ব্যাটিং উইকেটে বোলারদের কীভাবে ভালো বোলিং করতে হবে সেটি শিখতে হবে, ‘আমি তো বললাম দেশীয় ব্যাটাররা রান করছে এটা একটা ভালো দিক। কিন্তু আমাদের দেশীয় বোলাররা ওরকম ভালো বল করছে না। এরকম ভালো পিচে কীভাবে বল করতে হয় ওটা শিখতে হবে।’

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

উইকেট নিয়ে সাকিবের কণ্ঠেও স্তুতি

আপডেট সময় ০৪:০৮:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৩

মিরপুরের উইকেট মানেই সেটা টার্নিং ও ধীরগতির। এখানে ব্যাটারদের তেমন কিছুই করার থাকে না। বিপিএলের প্রতি আসরে মিরপুরের উইকেট নিয়ে তাই সমালোচনার ঝড় ওঠে। কিন্তু এবার ব্যতিক্রম। শৈত্যপ্রবাহের কারণে প্রথম দুই দিনের প্রথম ম্যাচে স্লো স্কোরিং হয়েছে। বাকি ম্যাচগুলোতে সময় যত গড়িয়েছে রানের বন্যাও বয়েছে। এমন উইকেটে খেলতে পেরে দারুণ উচ্ছ্বসিত ক্রিকেটাররা। সিলেট স্ট্রাইকার্সের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার পর ফরচুন বরিশালের অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের কণ্ঠেও মিরপুরের উইকেট নিয়ে স্তুতি শোনা গেলো। পাশাপাশি তরুণ ব্যাটারদেরও প্রশংসায় ভাসিয়েছেন তিনি।

বুধবার এক অনুষ্ঠানে সাকিব কিউরেটরদের ধন্যবাদ দিয়ে বলেছেন, ‘এ বছর পিচটা অনেক ভালো। মিরপুরে খুবই আনএক্সপেক্টেড যে এত ভালো পিচ পাই। সো কিউরেটরকে ক্রেডিট দিতেই হয়, সে কারণে এত বেশি রান হচ্ছে এবং মাঠের খেলাটাও অনেক বেশি ভালো হচ্ছে, এক্সসাইটিং হচ্ছে।’

অন্য আসরগুলোর তুলনায় মিরপুরে স্থানীয় ব্যাটাররা তুলনামূলক ভালো করছে। সিলেটের তিন ব্যাটার নাজমুল হোসেন শান্ত, জাকির হাসান ও তৌহিদ হৃদয় তাদের মধ্যে অন্যতম। প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং না পাওয়া তৌহিদ তিন ম্যাচেই টানা হাফসেঞ্চুরি করেছেন। ৬৬ গড় ও ১৬৬ স্ট্রাইক রেটে তার রান ১৯৫! সিলেটের চার জয়ের তিনটিতেই নায়ক এই ব‌্যাটসম‌্যান। তাছাড়া জাকির ব‌্যাটিং করছেন ১৭৫ স্ট্রাইক রেটে। তার ইনিংসগুলো হচ্ছে ২১ বলে ২৭, ১০ বলে ২০, ১৮ বলে ৪৩। শান্তও ওপেনিংয়ে নেমে ৪৩, ৪৮, ১৯ ও ৫৭ রান করেছেন। এছাড়া কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সে খেলা জাকের আলী অনিক এক ম‌্যাচে ৪৩ বলে ৫৭ রান তুলে নিজের সামর্থ‌্যের জানান দিয়েছেন।

উইকেট ভালো হওয়ার কারণে ভালো মানের উইকেট পাওয়ায় তরুণরা শট খেলতে আত্মবিশ্বাসী হচ্ছেন বলে মনে করেন সাকিব, ‘অনেকেই ভালো খেলছে, ধারাবাহিকভাবে আপনি যদি দেখেন শান্ত, জাকির, হৃদয় খুবই ভালো খেলছে এবং অন্যান্য দলের খেলোয়াড়রাও ভালো করছে, সব থেকে ভালো দিক হচ্ছে স্থানীয় ব্যাটাররা এবার ভালো রান করছে, যেটা আমাদের জন্য খুবই ইতিবাচক একটা দিক। অনেক ক্রেডিট দিতে হয় পিচকে, কারণ পিচগুলো ভালো পাওয়া যাচ্ছে। আমার মনে হয় এ কারণে দেশীয় ব্যাটারদের রান করার সুযোগটা বাড়ছে এবং তারা সেটাকে ক্যাপিটালাইজ করছে। আগে ৩০-৪০ হতো এখন ৭০ হচ্ছে, এরপর এটাও শিখে যাবে কীভাবে ১০০ করতে হয়।’

সাকিব অবশ্য হতাশ স্থানীয় বোলারদের নিয়ে। মিরপুরে বাংলাদেশি কোন বোলারই আহামরি পারফরম্যান্স করতে পারেননি। সাকিব মনে করেন, ব্যাটিং উইকেটে বোলারদের কীভাবে ভালো বোলিং করতে হবে সেটি শিখতে হবে, ‘আমি তো বললাম দেশীয় ব্যাটাররা রান করছে এটা একটা ভালো দিক। কিন্তু আমাদের দেশীয় বোলাররা ওরকম ভালো বল করছে না। এরকম ভালো পিচে কীভাবে বল করতে হয় ওটা শিখতে হবে।’